লকডাউনের সময় রাজ্যবাসীর জন্য ২ টি বড়ো খবর

বর্তমান পৃথিবীর সবথেকে বড়ো সমস্যা করোনা ভাইরাস।এই ভাইরাস ভারত-আমেরিকা পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশের মানুষকে আক্রান্ত করেছে।এই ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষের শরীরে দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে।তবে এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ওষুধ তৈরি হয় নি।বর্তমান পৃথিবীতে এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করার একমাত্র পথ লকডাউন।এই কারণে পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশে লকডাউন চলছে।বর্তমানে ভারতেও প্রায় ২১ দিনের লকডাউন শেষ হতে চলেছে।তবে অনুমান করা হচ্ছে ২১ দিনের লকডাউন শেষ হওয়ার পর আবার লকডাউন বাড়ানো হবে।ইতিমধ্যে অনকে রাজ্য সরকার বলে দিয়েছে লকডাউন বাড়ানোর কথা।


বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে লকডাউন চললেও ক্রমাগত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেড়ে চলেছে।এই কারণে রাজ্য সরকার করোনা ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নতুন নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে।বর্তমানে রাজ্য সরকার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত জায়গা গুলির মধ্যে হাওড়া হট স্পট বলে চিহ্নিত করেছেন।বর্তমানে হাওড়ায় খাদ্যসামগ্রী বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে সাহায্য করছে পুলিশ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা।হাওড়া পুরসভার পক্ষ থেকে এই পরিষেবার জন্য একটি টোল ফ্রি নম্বরও চালু করা হয়েছে ১৮০০-১২১-৫০০০০০।


এছাড়া লকডাউনের ফলে সমস্যায় পড়ছে সাধারণ মানুষ।এই লকডাউনকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধি করছে।পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমুন্ত্রী বলেছেন লকডাউনের সময় কোনো ভাবেই জিনিস-পত্রের মূল্য বৃদ্ধি করা যাবে না।কিন্তু অসাধু ব্যাবসায়ীদের জিনিস-পত্রের মূল্য বৃদ্ধির জন্য শেষ পর্যন্ত রাজ্য পুলিশের বাজারে বাজারে হানা দিতে হচ্ছে।বর্তমানে বসিরহাট এলাকায় চালের কেজি প্রতি মূল্য ৩৮ টাকা থেকে ৪৪ টাকা হয়েছে।আলু ১৩ টাকা থেকে ২৫-৩০ টাকা হয়েছে।সয়াবিন ৭২ টাকা থেকে ৮০ টাকা হয়েছে।


তবে করোনা ভাইরাসের হাত থেকে মুক্ত পেতে হলে বিনা কারণে বাড়ির বাইরে বার হবেন না।মানুষের সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করুন।নিয়মিত হাত মুখ নিন।তবে করোনা ভাইরাস নিয়ে খুশির খবর হলো বর্তমান পৃথিবীতে যত মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে তার মধ্যে অনেক মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post